Home Page Top

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২০-২০২১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২০-২০২১ ঢাবি ভর্তি পরীক্ষা বিষয়ক ওয়েবসাইট admission.eis.du.ac.bd এ প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি নির্দেশিকা অনেক বড় হওয়াতে এবং সব ইউনিটের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি একত্রে থাকায় বুঝতে সমস্যা হয়। আমাদের আলোচনাটি পড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি সার্কুলার সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পাবেন। এখানে আপনারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা নতুন পদ্ধতি সম্পর্কেও আলোচনা করা হবে। তাছাড়া এখানে ঢাবি ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস, তারিখ ও মানবন্টন সম্পর্কে সর্বশেষ আপডেট পাবেন।
du-admission-circular

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২১ 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার নতুন নিয়ম অনুযায়ী লিখিত ও বহুনির্বাচনী দুই পদ্ধতিতেই পরীক্ষা হবে। ঢাবি ভর্তি পরীক্ষার নিয়ম মোতাবেক তোমাকে আগে বহুনির্বাচনী পরীক্ষায় পাস করতেই হবে। কারণ এমসিকিউতে পাস না করলে  ঢাবি লিখিত পরীক্ষার খাতা দেখা হবে না। চিন্তার কোন কারণ নেই আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি সিলেবাস সম্পর্কে শেষে বিস্তারিত তুলে ধরবো। 
DU Admission at a glance
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি আবেদন শুরুঃ ০৮ই মার্চ, ২০২১ (বিকাল ৫ঃ০০ ঘটিকা হতে)
আবেদন শেষঃ ৩১ই মার্চ, ২০২১ (রাত ১১ঃ৫৯ টা পর্যন্ত)
ঢাবি ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরুঃ ১১ই সেপ্টেম্বর ২০২১ (বিকাল ৩ঃ০০ টা থেকে)
ঢাবি অনলাইন আবেদনের ঠিকানাঃ admission.eis.du.ac.bd

ঢাবি ভর্তি পরীক্ষা আপডেট

ঢাবি ভর্তি কমিটি মহামারী পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে দুই দফা ভর্তি পরীক্ষা পিছিয়েছে। Dhaka University Admission Test ৮টি বিভাগে একযোগে গ্রহণ করা হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ফরম পূরণ করার সময় যে বিভাগ সিলেক্ট করেছ সেই বিভাগেই ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবে। 
ইউনিটসমূহ পরীক্ষার তারিখ পরীক্ষার সময়সূচি
ক ইউনিট ০১ অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১১ঃ০০ টা থেকে ১২ঃ৩০ মিনিট পর্যন্ত
খ ইউনিট ০২ অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১১ঃ০০ টা থেকে ১২ঃ৩০ মিনিট পর্যন্ত
গ ইউনিট ২২ অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১১ঃ০০ টা থেকে ১২ঃ৩০ মিনিট পর্যন্ত
ঘ ইউনিট ২৩ অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১১ঃ০০ টা থেকে ১২ঃ৩০ মিনিট পর্যন্ত
চ ইউনিট (সাধারণ জ্ঞান) ০৯ অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১১ঃ০০ টা থেকে ১১ঃ৩০ মিনিট পর্যন্ত
নোটঃ চ ইউনিট ভর্তি নির্দেশিকা অনুযায়ী ০৯ অক্টোবর, ২০২১ ইং তারিখে শুধুমাত্র সাধারণ জ্ঞান অংশের ৪০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। অঙ্কন/ ড্রয়িং পরীক্ষার তারিখ পরবর্তীতে জানানো হবে। পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে হলে প্রবেশ করতে হবে। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি যোগ্যতা ২০২০-২০২১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার কোন সুযোগ নেই। ফলে ঢাবিতে ভর্তি যোগ্যতা এর মধ্যে প্রথম শর্ত হলো আবেদনকারীকে ২০২০ সালে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হতে হবে। তাছাড়া প্রার্থীকে অবশ্যই ২০১৫ হতে ২০১৮ সালের মধ্যে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় পাশ করতে হবে। নিচে ঢাবির সকল ইউনিটের আবেদন যোগ্যতা দেওয়া হলোঃ

ক ইউনিট (বিজ্ঞান বিভাগ)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীকে ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে এসএসসি এবং ২০২০ সালে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ হতে কমপক্ষে জিপিএ ৩.৫ (৪র্থ বিষয়সহ) এর উপরে পেয়ে উর্ত্তীণ হতে হবে। তাছাড়া এসএসসি ও এইচএসসি দুইটি বোর্ড পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ'র যোগফল সর্বনিম্ন ৮.৫০ হতে হবে। আলিম মাদ্রাসা ও ইংরেজি মিডিয়াম শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও সমমান পরীক্ষার ক্ষেত্রে একই শর্ত প্রযোজ্য। 

খ ইউনিট (মানবিক বিভাগ)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীকে ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে এসএসসি এবং ২০২০ সালে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় বাণিজ্য বিভাগ হতে কমপক্ষে জিপিএ ৩.০০ এর উপরে পেয়ে উর্ত্তীণ হতে হবে। তাছাড়া এসএসসি ও এইচএসসি বোর্ড পরীক্ষাগুলোতে প্রাপ্ত জিপিএ'র যোগফল সর্বনিম্ন ৮.০০ হতে হবে। আলিম মাদ্রাসা ও ইংরেজি মিডিয়াম শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও সমমান পরীক্ষার ক্ষেত্রে একই শর্ত প্রযোজ্য। 

গ ইউনিট (বাণিজ্য বিভাগ)

বাণিজ্য বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক, ডিপ্লোমা-ইন-বিজনেস স্টাডিজ, ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স ও বিজনেস ম্যানেজমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএদ্বয়ের যােগফল ন্যূনতম ৮.০০ বা তার বেশি আছে তারা ঢাবি গ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। তবে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের কোন পরীক্ষাতে জিপিএ ৩.৫০ এর কম থাকলে আবেদন করতে পারবে না। তাছাড়া উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিজ, ডিপ্লোমা ইন কমার্স ও বিজনেস ম্যানেজমেন্ট শাখা থেকে আগত প্রার্থীদের একাউন্টিং বিষয়টি অবশ্যই থাকতে হবে এবং উক্ত বিষয়ে ন্যূনতম বি-গ্রেড (বা জিপিএ ৩.০০) পেতে হবে।

ঘ ইউনিট (বিভাগ পরিবর্তন)

ঘ ইউনিটে সকল বিভাগের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে। ঘ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের জন্য তোমার নিজ ইউনিটে আবেদনের যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। সংক্ষেপে ঘ ইউনিটে আবেদনের প্রাথমিক শর্ত দেওয়া হলোঃ
  • বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে SSC+HSC তে জিপিএ'র যোগফল ৮.৫০ বা তার বেশি থাকলে আবেদন করা যাবে। পৃথকভাবে এসএসসি ও এইচএসসিতে ৩.৫০ বা তার বেশি পেতে হবে। 
  • বাণিজ্য বিভাগের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে SSC+HSC তে জিপিএ'র যোগফল ৮.০০ বা তার বেশি থাকলে আবেদন করা যাবে। পৃথকভাবে এসএসসি ও এইচএসসিতে ৩.৫০ বা তার বেশি পেতে হবে। তাছাড়া ডিপ্লোমা-ইন-বিজনেস স্টাডিজ, ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স ও বিজনেস ম্যানেজমেন্ট থেকে পাশ করা পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও একই পয়েন্ট প্রযোজ্য। 
  • মানবিক বিভাগের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে SSC+HSC তে জিপিএ'র যোগফল ৮.০০ বা তার বেশি থাকলে আবেদন করা যাবে। পৃথকভাবে এসএসসি ও এইচএসসিতে ৩.০০ বা তার বেশি পেতে হবে।  

চ ইউনিট (চারুকলা)

ঢাবি চ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীকে ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে এসএসসি এবং ২০২০ সালে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় যেকোনো বিভাগ হতে কমপক্ষে জিপিএ ৩.০০ এর উপরে পেয়ে উর্ত্তীণ হতে হবে। তাছাড়া এসএসসি ও এইচএসসি বোর্ড পরীক্ষাগুলোতে প্রাপ্ত জিপিএ'র যোগফল ৭.০০ বা তার বেশি হতে হবে। আলিম মাদ্রাসা ও ইংরেজি মিডিয়াম শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও সমমান পরীক্ষার ক্ষেত্রে একই শর্ত প্রযোজ্য। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন ফি

ঢাবি ভর্তি আবেদন ফি সংশ্লিষ্ট ইউনিটে আবেদন করার সাথে সাথে পরিশোধ করতে হবে। মোবাইল ব্যাংকিং যেমনঃ বিকাশ, রকেট বা নগদ, ব্যাংক রশিদ এবং কার্ডের মাধ্যমে আবেদন ফি পরিশোধ করা যায়। আবেদন ফি পরিশোধ করার সময় খেয়াল রাখতে হবে সার্ভার ডাউন কিনা। নতুবা অনেক সময় কাটা কেটে নিলেও Paid লেখা শো করে না। 
ইউনিটসমূহ আবেদন ফি মোট আসন সংখ্যা
ক ইউনিট ৬৫০ টাকা ১৭৯৫ টি
খ ইউনিট ৬৫০ টাকা ২৩৬৩ টি
গ ইউনিট ৬৫০ টাকা ১২৫০ টি
ঘ ইউনিট ৬৫০ টাকা ১৫৬০ টি
চ ইউনিট ৬৫০ টাকা ১৩৫ টি
নোটঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি নির্দেশিকা অনুযায়ী ঘ ইউনিটে বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ১০৯৭টি, মানবিক বিভাগের জন্য ৫৩টি এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য ৪১০টি আসন বরাদ্দ থাকবে। চ ইউনিটে সকল বিভাগের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে। 

ঢাবি ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার মোট নম্বর ১০০ এবং এর মধ্যে MCQ তে ৬০ ও Written এ ৪০ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। এমসিকিউতে পাস নম্বর ২৪ এবং লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর ১২। আগেই বলছি ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় এমসিকিউ এ পাস না করলে রিটেন খাতা দেখা হবে না। তবে ভর্তি কমিটি জানিয়েছে পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে তার ইউনিটের মোট আসনের সাথে ৫ গুণ করে যা হয় ওই পরিমাণ খাতা দেখা হবে। অর্থাৎ ক ইউনিটে ২৫ হাজার শিক্ষার্থী MCQ-এ পাস করলে নম্বরের ভিত্তিতে প্রথম ১৭৯৫*৫ = ৮৯৭৫ জনের লিখিত অংশের খাতা দেখা হবে। ফলে বুঝতেই পারছেন শুধু পাস মার্ক তুললেই হবে না। কেউ যদি এমসিকিউতে ফেল করে লিখিত অংশে ৪০/৪০ পায় তাও লাভ নেই।
ইউনিট এমসিকিউ পরীক্ষা লিখিত পরীক্ষা সেইফ জোন
নম্বর সময় নম্বর সময় এমসিকিউ লিখিত
৬০ ৪৫ মিনিট ৪০ ৪৫ মিনিট ৪৫ নম্বর ২৫ নম্বর
৬০ ৪৫ মিনিট ৪০ ৪৫ মিনিট ৪০ নম্বর ২৫ নম্বর
৬০ ৪৫ মিনিট ৪০ ৪৫ মিনিট ৪০ নম্বর ২৫ নম্বর
৬০ ৪৫ মিনিট ৪০ ৪৫ মিনিট ৪৫ নম্বর ২৭ নম্বর
৪০ (জিকে) ৩০ মিনিট ৬০ (অংকন) ৬০ মিনিট ২৫ নম্বর ৩৫-৪০ নম্বর
এখানে সেইফ জোনে সর্বনিম্ন নম্বর বিবেচনা করা হয়েছে এবং এটা ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। প্রকৃত অর্থে এসএসসি ও এইচএসসি থেকেও ২০ নম্বর যুক্ত করে মোট ১২০ নম্বরের ভিত্তিতে মেধাস্কোর নির্ণয় করা হবে। ফলে যারা দুইটি বোর্ড পরীক্ষাতে জিপিএ ৫.০০ পেয়েছে তারা কিছুটা এগিয়ে থাকবে। 

ঢাবি ভর্তি পরীক্ষার আসন বিন্যাস

ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার ৪৮ ঘণ্টা পূর্বে বিস্তারিত আসন বিন্যাস প্রকাশ করা হবে। আবেদনকারীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ওয়েবসাইট (admission.eis.du.ac.bd) থেকে নিজ নিজ আসন বিন্যাস দেখে নিবে। তাছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্র সহজে খুঁজে পেতে গুগল ম্যাপস এর সাহায্য নিতে পারেন। এছাড়া আবেদনকারীরা প্রবেশপত্রের নির্দেশনা অনুযায়ী মোবাইলে এসএমএস করার মাধ্যমে নিজ নিজ আসন বিন্যাস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে হলে প্রবেশ করতে হবে। উক্ত সময়ের পর কোন শিক্ষার্থীকে হলে ঢুকতে দেওয়া হয় না। 

ঢাবিতে কোটায় ভর্তির নিয়ম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষক বা কর্মরত কর্মকর্তা/ কর্মচারীরগণ (ওয়ার্ড কোটা), মুক্তিযােদ্ধার সন্তান/ নাতি/ নাতনী, উপজাতি/ ক্ষুদ্র নৃগােষ্ঠী, হরিজন ও দলিত সম্প্রদায়, প্রতিবন্ধী (দৃষ্টি, বাক, শ্রবণ ও শারীরিক) এবং খেলােয়াড় (শুধুমাত্র বিকেএসপি থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীরা) কোটায় ভর্তির আবেদনের সুযােগ পাবে। অনলাইনে আবেদন করার সময় সংশ্লিষ্ট কোটায় টিক দিতে হবে এবং যারা ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে, কেবল তারাই ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর কোটার জন্য আবেদন করতে পারবে। কোটার সপক্ষে প্রয়ােজনীয় কাগজপত্র ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের ৭ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট (নিজ নিজ ইউনিট অনুযায়ী) অনুষদের অফিসে জমা দিতে হবে। ওয়ার্ড কোটার ক্ষেত্রে ঢাবির সংশ্লিষ্ট বিভাগ/ ইনস্টিটিউট/ অফিস-এর চেয়ারম্যান/ পরিচালক/ অফিস প্রধানের প্রত্যয়নপত্র, মুক্তিযােদ্ধার সন্তান/ নাতি/ নাতনী কোটার ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত সনদপত্র এবং মুক্তিযােদ্ধার নাতি/ নাতনীর ক্ষেত্রে উপযুক্ত প্রমাণপত্র, আদিবাসী কোটার ক্ষেত্রে স্ব-স্ব আদিবাসীর প্রধান/ জেলা প্রশাসন-এর সনদপত্র, হরিজন ও দলিত সম্প্রদায় কোটার ক্ষেত্রে হরিজন ও দলিত সম্প্রদায় সংগঠন প্রধানের সনদপত্র, প্রতিবন্ধীদের (দৃষ্টি, বাক, শ্রবণ ও শারীরিক) ক্ষেত্রে উপযুক্ত সনদপত্র এবং খেলােয়ার কোটার ক্ষেত্রে বিকেএসপি কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র জমা দিতে হবে।

ঢাবি ভর্তি পরীক্ষার রেজাল্ট/ ফলাফল

Dhaka University Admission Test এর ফলাফল কোন ইউনিটের পরীক্ষা যেদিন হয় তার ঠিক ৪ সপ্তাহ বা একমাস পর দিয়ে থাকে। তবে লিখিত পরীক্ষার খাতা দেখতে দেখতে বেশি সময়ের প্রয়োজন হতে পারে। পরীক্ষার ফলাফল ঢাবির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। 

এখানে ঢাবি ভর্তি সার্কুলার যুক্ত করে দেওয়া হলো। তবে নিজ নিজ ইউনিটের বিস্তারিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেখাই শ্রেয়। সর্বশেষ আপডেট সম্পর্কে জানতে পোস্টটি বুকমার্ক করে রাখো।

* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Below Post Ad

Ads Area