Home Page Top

এইচএসসি রসায়ন এসাইনমেন্ট ২০২২ (৬ষ্ঠ সপ্তাহ)

এইচএসসি এসাইনমেন্ট ২০২২ ৬ষ্ঠ সপ্তাহের রসায়ন প্রথম পত্রের সমাধান। এইচএসসি ২০২২ সালের পরীক্ষার্থীদের জন্য ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশিত হয়েছে। এখানে রসায়ন ১ম পত্রের ২য় অধ্যায় গুণগত রসায়ন এসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন ও নমুনা উত্তর দেওয়া হবে। আমাদের দেওয়া এইচএসসি এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ অন্য যেকোন মাধ্যমের চেয়ে ভালো ও স্ট্যান্ডার্ড মানের যা আপনি দেখলেই বুঝতে পারবেন। এইচএসসি রসায়ন এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ এর সমাধান আমরা নিজেরা প্রস্তুত করেছি যা ১০০% নির্ভুল ও পূর্ণ নম্বর পেতে কার্যকরি ভূমিকা রাখবে। 
hsc-assignment
অ্যাসাইনমেন্টঃ পরমাণুর অভ্যন্তরে ইলেকট্রনের অবস্থান এবং পারমাণবিক বর্ণালীর উৎস
অ্যাসাইনমেন্ট নির্দেশনা - ০১ঃ ইলেকট্রন বিন্যাস সম্পর্কিত নীতিসমূহ ব্যাখ্যা করা। 
নমুনা সমাধানঃ পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসের সাধারণ তিনটি নিয়ম আছে। এগুলো হলঃ
  1. আউফ-বাউ নীতি (Aufbau Principle)
  2. হুণ্ডের নীতি (Hund's Principle)
  3. পলির বর্জন নীতি (Pauli's Exclusion Principle)
নিচে আউফবাউ নীতি, হুণ্ডের নীতি ও পলির বর্জন নীতি বর্ণনা ও ব্যতিক্রমসহ ব্যাখ্যা করা হলোঃ

আউফবাউ নীতিঃ পরমাণুতে বিদ্যমান ইলেকট্রনসমূহ প্রথমে সর্বনিম্ন শক্তি সম্পন্ন অরবিটালগুলো পূর্ণ করতে থাকে। কখনও কোন নিম্ন শক্তি সম্পন্ন অরবিটাল অপূর্ণ রেখে ইলেকট্রন উচ্চ শক্তি সম্পন্ন অরবিটালে প্রবেশ করবে না। অরবিটালের শক্তি = (n+l)।
এখানে n হলো প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা এবং l সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা যার মাধ্যমে কোন অরবিটালের শক্তি কত টা নির্ণয় করা যায়। 
3d অরবিটালের জন্য n=3 এবং l=2       ∴(n+l) = 3+2 = 5
4s অরবিটালের জন্য n=3 এবং l=2        ∴(n+l) = 4+0 = 4
আউফবাউ নীতি অনুসারে ক্রমবর্ধমান শক্তির ক্রমানুসারে উপকক্ষগুলোকে সাজালে নিম্নরূপ হয়ঃ 1s < 2s < 2p < 3s < 3p < 4s < 3d < 4p < 5s < 4d < 5p < 6s < 4f < 5d < 6p < 7s < 5f < 6d < 7p < 8s < 6f 

আউফবাউ নীতি অনুযায়ী আয়রনের ইলেকট্রন বিন্যাসঃ
Fe(26) = 1s22s22p63s23p63d64s2 
Fe2+(24) = 1s22s22p63s23p63d64s0 
Fe3+(23) = 1s22s22p63s23p63d54s0 

♦ আউফবাউ নীতি অমান্যকারী/ ব্যতিক্রম ইলেকট্রন বিন্যাসঃ
  1.  Cr(24) = 1s2 2s2 2p6 3s23p6 4s1 3d5 
  2.  Cu(29) = 1s2 2s2 2p6 3s23p6 4s1 3d10 
  3.  Nb(41) = 1s2 2s2 2p6 3s23p6 4s2 3d104p5s14d4 
  4.  Mo(42) = 1s2 2s2 2p6 3s23p6 4s2 3d10 4p5s1 4d5 
  5.  Ru(44) = 1s2 2s2 2p6 3s23p6 4s2 3d10 4p65s1 4d7 
  6.  Pd(46) = 1s2 2s2 2p6 3s23p6 4s2 3d10 4p4d10 
  7.  Ag(47) = 1s2 2s2 2p6 3s23p6 4s2 3d10 4p5s1 4d10 
  8.  La(57) = 1s2 2s2 2p6 3s23p6 4s2 3d10 4p5s2 4d10 5p6 6s5d1 
  9.  W(74) = 1s2 2s2 2p6 3s23p6 4s2 3d10 4p5s2 4d10 5p6 6s4f14 5d4 
  10.  Au(79) = 1s2 2s2 2p6 3s23p6 4s2 3d10 4p5s2 4d10 5p6 6s4f14 5d10 
  11.  Ac(89) = 1s2 2s2 2p6 3s23p6 4s2 3d10 4p5s2 4d10 5p6 6s4f14 5d10 6p6 7s6d1 
  12.  Th(90) = 1s2 2s2 2p6 3s23p6 4s2 3d10 4p5s2 4d10 5p6 6s4f14 5d10 6p6 7s6d2 
উল্লেখ্য, La(57) ও Ac(89) এর নিউক্লিয়াসের অস্বাভাবিক সংকোচন নীতি থেকে রক্ষার জন্য ইলেকট্রন 6s অরবিটাল পূর্ণ করে আউফবাউ নীতি অমান্য করে 4f(La) অথবা 5f(Ac) অরবিটালে প্রবেশ না করে 5d(La) বা 6d(Ac) অরবিটালে প্রবেশ করে। 

হুণ্ডের নীতিঃ সমশক্তি সম্পন্ন অরবিটালগুলোতে ইলেকট্রন প্রবেশের সময় যতক্ষণ পর্যন্ত অরবিটাল খালি থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত ইলেকট্রনগুলো অযুগ্মভাবে অরবিটালে প্রবেশ করবে এবং এই অযুগ্ম ইলেকট্রনগুলোর স্পিন একমুখী হবে। এভাবে সমশক্তি সম্পন্ন প্রতিটি খালি অরবিটাল একটি করে ইলেকট্রন দ্বারা ভর্তি হওয়ার পর ঐ সব একক ইলেকট্রন বিশিষ্ট অরবিটাল গুলোর মধ্যে নবাগত এবং বিপরীত ঘূর্ণন ইলেকট্রন একটি করে প্রবেশ করবে। হুণ্ডের সূত্র আরও বলে যে অর্ধপূর্ণ বা সম্পন্ন কোন অরবিটালের শক্তিস্তর, অসম্পূর্ণ ইলেকট্রনের বিন্যাস অপেক্ষা অধিকতর স্থায়ী। 
হুণ্ডের নীতির ব্যতিক্রমঃ s-উপস্তরে একটি মাত্র অরবিটাল থাকে। এ কারণে s-অরবিটালের জন্য নবাগত ইলেকট্রন প্রবেশ করার সময় হুণ্ডের নীতি প্রয়োগের প্রশ্নই আসে না। তবে p, d, f অরবিটালের ক্ষেত্রে এ নীতি প্রযোজ্য হয়। 

পলির বর্জন নীতিঃ একই পরমাণুর দুটি ইলেকট্রনের জন্য চারটি কোয়ান্টাম সংখ্যার মান কখনও একই হতে পারে না। অর্থাৎ যদি দুটি ইলেকট্রনের যেকোনো তিনটি কোয়ান্টাম সংখ্যা একই হয় তবে চতুর্থ কোয়ান্টাম সংখ্যা অবশ্যই ভিন্ন হতে হবে।  
He পরমাণুর ক্ষেত্রে পলির বর্জন নীতিঃ
কোয়ান্টাম সংখ্যা n l m s
১ম ইলেকট্রনের জন্য 1 0 0
২য় ইলেকট্রনের জন্য 1 0 0

অ্যাসাইনমেন্ট নির্দেশনা-০২ঃ কোয়ান্টাম সংখ্যা থেকে শক্তিস্তর সমূহের ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা নির্ণয় করা। 
নমুনা সমাধানঃ পরমাণুতে কোন একটি ইলেকট্রন - 
১. পরমাণুর কোন শক্তিস্তরে অবস্থান করে 
২. শক্তিস্তরটির প্রকৃতি কী রকম
৩. চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে ইলেকট্রনটির কক্ষপথের দিক বিন্যাস কীভাবে ঘটে 
৪. নিজ অক্ষের উপর ঘূর্ণনের দিক প্রকাশের জন্য যে সকল সংখ্যা ব্যবহার করা হয়, তাদেরকেই কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে। 
চারটি কোয়ান্টাম সংখ্যার মান নির্ণয় পূর্বক চতুর্থ শক্তিস্তরের অরবিটাল সংখ্যা ও ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা হিসাব করা হলোঃ
প্রধান শক্তিস্তর (n) সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা, l = (n - 1) উপস্তর উপস্তরের সংখ্যা চৌম্বক কোয়ান্টাম সংখ্যা (m) অরবিটাল সংখ্যা উপস্তরের ইলেকট্রন সংখ্যা = 2(2l + 1) মোট ইলেকট্রনের সংখ্যা
n l = 0
1
2
3
4s
4p
4d
4f
4 0
-1, 0, +1
-2, -1, 0, +1, +2
-3, -2, -1, 0, +1, +2, +3
1
3
5
7
2(2 x 0 +1) = 2
2(2 x 1 +1) = 6
2(2 x 2 +1) = 10
2(2 x 3 +1) = 14
32

অ্যাসাইনমেন্ট নির্দেশনা-০৩ঃ উপস্তরসমূহের বর্ণনা ও আকৃতি ব্যাখ্যা করা।
নমুনা সমাধানঃ পরমাণুর চারটি উপস্তর রয়েছে। এগুলো হলোঃ s, p, d ও f. এগুলোর মধ্যে s, p ও d অর্বিটালের বর্ণনা ও আকৃতি ব্যাখ্যা করা হলোঃ 
নিউক্লিয়াসের চারদিকে ত্রিমাত্রিক অঞ্চলে ইলেকট্রন মেঘের ঘনত্ব যেখানে বেশি এবং ইলেকট্রনের থাকার সম্ভবনা যেখানে সর্বাধিক সে স্থানকে অরবিটাল বলা হয়। ইলেকট্রন মেঘের আকৃতি অনুযায়ী অরবিটালের আকৃতি হয়। 
s উপস্তর বা অরবিটালঃ নিউক্লিয়াসের চতুর্দিকে কোন নির্দিষ্ট দূরত্বের সর্বদিকেই যেকোন প্রধান স্তরের, s অরবিটালের ইলেকট্রন থাকার সম্ভবনা সর্বাধিক। এ কারণে s অরবিটালের আকৃতি গোলকের ন্যায়। ইলেকট্রন মেঘের ঘনত্ব গোলকের পৃষ্ঠভাগে সর্বাধিক। আবার s অরবিটালের ক্ষেত্রে সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা l = 0, চৌম্বক কোয়ান্টাম সংখ্যা, m = ০, কাজেই প্রতিটি s অরবিটাল একই আকৃতির হয়। s-অরবিটাল ত্রিমাত্রিকভাবে x, y ও z অক্ষ বরাবর সমভাবে বিস্তৃত। প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা 'n' এর মান যত বড় হবে, s-অরবিটালের গোলাকৃতিও তত বড় হবে। 

p উপস্তর বা অরবিটালঃ দ্বিতীয় শক্তিস্তরে প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা n = 2, সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা = 0, 1. যখন l = 0, তখন 2s উপস্তর এবং যখন l = 1 তখন 2p উপস্তর। p উপস্তর তিনটি p অরবিটাল নিয়ে গঠিত। p অরবিটাল সমশক্তি সম্পন্ন ডাম্বেল আকারের হয়। ডাম্বেলের দুই প্রান্তে পৃষ্ঠভাগেই ইলেকট্রন ঘনত্ব থাকার সম্ভাবনা সমান। ডাম্বেলের দুটি অংশ যে বিন্দুতে এসে মিশেছে প্রকৃতপক্ষে সেখানেই নিউক্লিয়াসের অবস্থান। নিউক্লিয়াসের ভিতর দিয়ে একটি কল্পিত তল থাকে যেখানে p অরবিটালের ইলেকট্রন মেঘের ঘনত্ব শূন্য। তাই এ অবস্থানে ইলেকট্রন থাকার সম্ভাবনা একেবারেই শূন্য। এ তলকে নােডাল তল (Nodal Plane) বলে। প্রকৃত অর্থে প্রতিটি p অরবিটালেই একটি করে নােডাল তল থাকে।
p অরবিটালের ক্ষেত্রে সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা l = 1, চৌম্বক কোয়ান্টাম সংখ্যা m = -1, 0, +1. এ মান থেকে দেখা যায় p অরবিটাল তিন প্রকার যা সমশক্তিসম্পন্ন তিনটি উপস্তরে বিভক্ত। একে px, py, ও pz, অরবিটাল বলে। এ px, py, ও pz অরবিটালগুলাে ডাম্বেল আকারে পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে x, y, z অক্ষ বরাবর নিউক্লিয়াসের উভয় পার্শ্বে প্রতিসমভাবে (Symmetrically) অবস্থান করে। px, py, ও pঅরবিটালের প্রত্যেকটি অন্য দুটির উপর লম্বভাবে অবস্থান করে। এ কারণে যেকোনাে দুটি p অরবিটালের মধ্যে কৌণিক দূরত্ব 90°.

d উপস্তর বা অরবিটালঃ যখন প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা n = 3, সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা 1 = 0, 1, 2 তখন শুধু l = 2 এ মানের জন্য m = - 2, - 1, 0, +1, + 2 মান নির্দেশ করে যা d উপস্তর। প্রকৃত অর্থে M স্তর থেকেই সর্বপ্রথম d উপস্তর শুরু হয়। m এর মান থেকে দেখা যায় d উপস্তর পাঁচ প্রকার যা সমশক্তিসম্পন্ন পাঁচটি অরবিটালে বিভক্ত। এগুলাে হলা d, dxy, dyz, dxz ও dx²-y² .

অ্যাসাইনমেন্ট নির্দেশনা-০৪ঃ হাইড্রোজেনের পারমাণবিক বর্ণালির গাণিতিক ব্যাখ্যা ও রেখাচিত্র অঙ্কন 
নমুনা সমাধানঃ কোনাে ইলেকট্রন পরমাণুর উচ্চ শক্তিস্তর থেকে নিম্ন শক্তিস্তরে Jump করলে সে শক্তি বিকিরণ করে। বাের পরমাণু মডেল অনুসারে সেই বিকিরণের শক্তি, ∆E = hf. এই বিকিরণই মূলত পারমাণবিক বর্ণালী। পরীক্ষায় দেখা যায়, ভিন্ন ভিন্ন মৌলের পরমাণুর পারমাণবিক বর্ণালীর শক্তি বিভিন্ন। অর্থাৎ বর্ণালীর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বা কম্পাঙ্ক ভিন্ন হওয়ায় ভিন্ন রং এর বিকিরণ সৃষ্টি হয়। এই ভিন্নতা মূলত নির্ভর করে ইলেকট্রন কোন কক্ষপথ থেকে কোন কক্ষপথে স্থানান্তরিত হয় তার উপর। লাইমেন, বামার প্রমুখ বিজ্ঞানীগণ বিভিন্ন সময় বর্ণালীর বিভিন্ন সিরিজের খোঁজ পান এবং ভিন্ন সূত্র দ্বারা প্রকাশ করেন। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন পরমাণুতে প্রাপ্ত বিভিন্ন পারমাণবিক বর্ণালীর তরঙ্গ সংখ্যা বা তরঙ্গ দৈর্ঘ্য নির্ণয়ের একটি অভিন্ন সহজ সমীকরণ ব্যবহার করা হয়।
হাইড্রোজেন বর্ণালির বিভিন্ন রেখার তরঙ্গ সংখ্যা নিম্নোক্ত রিডবার্গ সমীকরণ হতে পাওয়া যায়। 
1/λ = RH(1/n12 - 1/n22)Z2

n1 n2 বিকিরণ অঞ্চল সিরিজের নাম
1 2 → ∞ 91.13 nm (ultraviolet) লাইমেন সিরিজ
2 3 → ∞ 364.51 nm (visible light) বামার সিরিজ
3 4 → ∞ 820.14 nm (infrared) প্যাশ্চেন সিরিজ
4 5 → ∞ 1458.03 nm (far infrared) ব্রাকেট সিরিজ
5 6 → ∞ 2278.17 nm (far infrared) ফুন্ড সিরিজ
6 7 → ∞ 3280.56 nm (far infrared হামফ্রিস সিরিজ
হাইড্রোজেনের পারমাণবিক বর্ণালির রেখাচিত্র অঙ্কনঃ
H-spectrum-diagram
এখানে এইচএসসি রসায়ন এসাইনমেন্ট ২০২২ এর পূর্ণাঙ্গ সমাধান দেওয়া হয়েছে। তবে এসাইনমেন্ট হুবহু কপি না করে নিজের মত করে লেখাই উত্তম। এখানে নমুনা সমাধান দেওয়া হয়েছে যাতে করে শিক্ষার্থীদের বুঝতে সুবিধা হয়। তাছাড়া আমরা নিম্নমানের কোন পিডিএফ শেয়ার না করে এইচএসসি রসায়ন এসাইনমেন্ট ২০২২  সরাসরি লিখে দিয়েছি। 
এইচএসসি ২০২২ এসাইনমেন্ট করার সময় যেকোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে কমেন্ট করে জানানোর অনুরোধ রইল। আমরা দ্রুতই সাড়া দেওয়ার চেষ্টা করবো। 
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Below Post Ad

Ads Area